টাকার লোভে ৪ বছরের ভাতিজি অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যা: পিবিআই জামালপুর কর্তৃক গ্রেফতার ২, উভয়ের আদালতে স্বীকারোক্তি.।
টাকার লোভে ৪ বছরের ভাতিজি অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যা: পিবিআই জামালপুর কর্তৃক গ্রেফতার ২, উভয়ের আদালতে স্বীকারোক্তি
গত ০৯/০৯/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ সকাল অনুমান ০৮.০০ টায় ভিকটিম নুসরাত জাহান হাবিবা (৪) এর পিতা সংসারিক বাজার করার উদ্দেশ্যে বাঘারচর বাজারে যাওয়ার পথে ভিকটিম নুসরাতকে শফিজলের দোকান থেকে দুইটি সিঙ্গারা কিনে দিয়ে একা বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। বেলা ১১.০০ টায় সে বাড়িতে ফিরে তার স্ত্রীর নিকট জানতে পারে নুসরাত বাড়িতে পৌঁছায়নি। সন্ধান না পেয়ে ১০/০৯/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ দেওয়ানগঞ্জ থানায় জিডি করা হয়। পরদিন ১১/০৯/২০২৩ খ্রিঃ সকাল ৫.৩০ ঘটিকার সময় বাড়ির আঙিনায় নুসরাতের জখম অবস্থায় মৃতদেহ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে দেওয়ানগঞ্জ থানার মামলা নং- ০৮ তারিখ- ১২/০৯/২০২৩ খ্রীঃ, ধারা- ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড দায়ের করেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এর নির্দেশে পিবিআই জামালপুর জেলা মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে এবং বর্তমানে এসআই (নিঃ)/মোঃ স্বপন মিয়া মামলাটি তদন্ত করছেন।
পিবিআই এর তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ভিকটিমের আপন চাচা সন্ধিগ্ধ আসামী মোঃ আমির হামজা (৩৫), পিতা- মোঃ বাচ্চু মিয়া, বাঘারচর বেপারীপাড়া, দেওয়ানগঞ্জ, জামালপুরকে তার নিজ বসত বাড়ী হতে গ্রেফতার করে। তার দেওয়া তথ্য মতে রবিবার (৭ ডিসেম্বর) রাতে নিহতের বাবার চাচাতো ভাই আল-আমিনকে (৩২) গ্রেপ্তার করা হয়। দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পিবিআই এর তদন্তে এবং স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকে জানা যায় যে, “টাকার লোভে আপন ভাতিজি নূসরাত জাহান হাবিবাকে অপহরণের টার্গেট করে চাচা আমির হামজা ও আল-আমিন। বাড়ির পাশে রাস্তায় থাকতে হাবিবাকে তুলে নিয়ে মুখ চেপে জঙ্গলে নিয়ে যায় এসময়ে শ্বাসরোধে অচেতন হয়ে পড়ে ছোট্ট মেয়েটি। সেই মুহূর্তে আল-আমিন তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরলে শিশুটির কান্না ও চিৎকার করলে আবার মুখ চেপে ধরে। এসময়ে চার বছরের শিশুর মৃত্যু হয়। অপরাধ ঢাকতে আরো নৃশংসতা করে তারা। শিশুটির দেহে ব্যাটারির এসিড ঢেলে বিকৃত করার চেষ্টা করে।
প্রথমে জঙ্গলে পাতা দিয়ে ঢেকে রাখা হয় লাশ। পরে রাতের আঁধারে নদীতে নিয়ে কচুরিপানার নিচে গোপন করা হয়। পরের দিন আবার তুলে এনে বাড়ির পাশেই ফেলে যায় লাশ। যাতে মনে হয় এটি কোনো দুর্বৃত্তের কাজ।
প্রথমে জঙ্গলে পাতা দিয়ে ঢেকে রাখা হয় লাশ। পরে রাতের আঁধারে নদীতে নিয়ে কচুরিপানার নিচে গোপন করা হয়। পরের দিন আবার তুলে এনে বাড়ির পাশেই ফেলে যায় লাশ। যাতে মনে হয় এটি কোনো দুর্বৃত্তের কাজ।
বিঃদ্রঃ-নিজস্ব প্রতিবেদকের তথ্যের ওপর নিজস্ব নিউজ ওয়েবসাইটনিজস্ব নিউজ ওয়েবসাইট পোর্টাল থেকে সর্বাধিক প্রাচারিত প্রকাশিত
এই সাইটের নিউজ অনুমতি ব্যতিত কপি করা থেকে বিরত থাকুন