জেলা প্রতিনিধি-বানিয়াচং থানায় কর্মরত এস, এই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অসহায় শাহিনা বেগমের ডিআইজি বরাবর অভিযোগ।।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় শাহিনা বেগম ঔরপে সুহেনা বেগম, পিতা : মৃত এজাবত খাঁ,সাং সাগর দিঘীর পূর্ব পাড়,৩ নং দক্ষিণ পূর্ব ইউপি, থানা: বানিয়াচং, জেলা : হবিগঞ্জ।
বিনীত নিবেদন এই, আমি নিম্ন সাক্ষরকারীনী একজন অসহায় মহিলা বেটি।আমি স্বামী পরিত্যাক্তা ও সন্তানাদি নাই। নিম্নে তপসীল বর্ণিত ভূমির আমি পৈত্রিক সূত্রের মালিক ও দখলদার এবং ঘর দরজা নির্মাণ করিয়া বসবাস করিয়া আসিতেছে। উক্ত ভুমি নিয়া ১। ছায়েদ মিয়া, পিতা: মৃত আইয়ুব আলী, সাং: ঠাকুরাইন দিঘির পূর্ব পার ( পরীহাটি) ২। মইনুল হোসেন চৌধুরী, পিতা: মৃত ইমরান চৌধুরী, সাং : সাগর দিঘির পূর্ব, পাড় , ৩। খেলু মিয়া, পিতা: মৃত ইমরান চৌধুরী, সাং: সাগর দিঘির পূর্ব পাড় ৩ দক্ষিণ পূর্ব ইউপি নং, থানা: বানিয়াচং, জেলা: হবিগঞ্জ আমি বাদী হইয়া হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত ফৌ: কা: বি: আইনের ১৪৪ ধারায় দরখাস্ত মামলা নং ২৬৭/২৫ (বানিং) দায়ের করিলে মাননীয় আদালত গত ১৮/০৯/২৫ ইং তারিখে মোকদ্দমা থানা আমার পক্ষে রায় ঘোষণা করেন। অত্র পর হইতে ২য় পক্ষগণ আমার পক্ষে ষড়যন্ত্র করিয়া আসিতেছে।
হুজুর অদ্য ১২/০৪/২৬ ইং তারিখে সকাল অনুমান ১০:৩০ ঘটিকার সময় কোন কোন ২য় পক্ষগণ সদর বানিয়াচং থানার এসআই মিজানুর রহমান একজন কনেস্টেবল সহ আমার বাড়িতে আসেন। তিনি আমাকে আমার বাড়িতে মাটি ফেরার কারণ জিজ্ঞাসা করিলে আমি তাহাকে অত্যন্ত বিনয়ের সহিত বলি যে,বৃষ্টি বাদলের কারণে আমার বসত ঘরের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনায় সামান্য মাটি ফেলিয়াছি। তিনি আমাকে বাড়ির কাগজপত্র দেখাইতে বলিলে আমি পুর্নরায় বিনয়ের সাথে বলি যে বাড়িখানা আমার পৈতৃক সম্পদ এবং তা নিয়া মামলা মোকদ্দমা মাননীয় আদালতের রায় আমার পক্ষে আছে। তিনি আমাকে অনেক অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকিলে কাগজ দেখিতে চাই। আমি প্রতি উত্তরে দারোগা মিজানুর রহমান সাহেবকে আমাকে এ ব্যাপারে নোটিশ করিলে আমি কাগজ দেখাইব বলে জানাই।এ সময় দরগা মিজানুর সাহেব আমাকে অতি খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করত : বাম হাত ধরিয়া প্রচন্ড ভাবে মোচর মারিয়া আঘাত করত: আমার শরীরে আমার পরনে থাকা ব্লাউজ খানা ছিড়িয়া ফেলেন। তিনি আমাকে এভাবে শ্লীলতাহানি শুরু করিলে আমার ভাতিজা সালাউদ্দিন (১৮)উক্ত ঘটনায় তাহার মোবাইল দ্বারা ভিডিও করিতে চাইলে এসআই মিজানুর রহমান সাহেব তাহার হাতে থাকা মটর সাইকেলের চাবি দিয়ে সজোরে আমার ভাতিজা সালাউদ্দিন এর গলার বাম দিকে গায়ে মারিয়া মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করেন।
হুজুর এসআই মিজানুর রহমান সাহেব আমাদের মারপিট ও নির্যাতনের সময় অপর পক্ষের লোকজন তাহার সাথে ছিল। এছাড়া অনেক মানুষ উক্ত ঘটনা দেখিয়াছে।পরে আমরা আহত অবস্থায় বানিয়াচং হাসপাতালে যাইয়া চিকিৎসা করিয়াছি।
হুজুর এমন অবস্থায় উক্ত বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় এলাকায় মারাত্মক চাঞ্চল্য দেখা দিয়াছে। তদন্ত করিলে সত্যতা পাওয়া যাবে।
অত্রএব,প্রার্থনা হুজুর দয়া করিয়া তদন্ত সাপেক্ষে বানিয়াচং থানার এসআই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে আপনার মর্জি হয়।
এবিষয়ে জানতে এস আই মিজানুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি জানান আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। আমি থানায় চাকরি করতে আসছি আমি কেন কারো পক্ষ নিবো।আমি শাহিনা বেগমের কাছে জমির কাগজ দেখতে চাইলে ঐ মহিলা আমাদের সাথে খারাপ আচরন করে।
অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন,অভিযোগে আমার কোন দোষ পেলে উর্ধতন কর্তপক্ষ ব্যবস্থা নিবে।
আপনি ঘটনাস্থলে এসে বিষয়টি তদন্ত করে দেখেন শাহিনার। অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই।।
বিঃদ্রঃ-নিজস্ব প্রতিবেদকের তথ্যের ওপর নিজস্ব নিউজ ওয়েবসাইটনিজস্ব নিউজ ওয়েবসাইট পোর্টাল থেকে সর্বাধিক প্রাচারিত প্রকাশিত
এই সাইটের নিউজ অনুমতি ব্যতিত কপি করা থেকে বিরত থাকুন