
আশুলিয়ার জামগড়ায় মাদক কারবার ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনীর ত্রীমুখী লড়াই,আতংকিত এলাকাবাসী।
সাভার প্রতিনিধি,
সাভারের আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল জামগড়া এলাকায় মাদক কারবার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে মারামারি ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এক গ্রুপ অন্য গ্রুপের সদস্যদের ওপর হামলা। এসময় উভয়ের পক্ষে অনেকেই রক্তাক্ত যখম সহ গুলি করে আহত হচ্ছে উভয়ই।
এই তিন গ্যাং এর ভিতর অন্যতম যুবলীগ নেতা রনি ভুইয়া সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রাজকুমার রাজু,শুটার বাপ্পি,
তিন গ্যাং এর সহযোগী ডি এক্স আলামিন,তৈয়ব,নাহিদ,মোস্তফা,দাইরা সোহাগ সহ বেশ কয়েকজন। জামগড়া এলাকায় প্রতিটি ঘটনায় তাদের নাম প্রতক্ষ্য ও পরোক্ষভাবে সোসাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন মাধ্যমে আসছে।
সন্ত্রাসী বাহিনীর আবির্ভাব নেপথ্যে কি কারন।
জামগড়া প্রাইমারী স্কুল মাঠ এলাকায়
রনি ভূঁইয়ার সহযোগী ডি এক্স আলামিনের নেতে মাদক ব্যবসা পরিচালিত হয়।
অন্য দিকে অল্প সময়ে আলোচিত বনে যাওয়া টোকাই রাজু এখন সব চাইতে আলোচিত রাজকুমার রাজু ওরফে টোকাই রাজুর উথ্বান জামগড়া এলাকার জামাই রুবেল ও সুমন ভূইয়ার হাত ধরে ৫ আগষ্টে তারা পালিয়ে গেলেও কিন্তু টোকাই রাজু রয়ে যায়। তার দলবল নিয়ে এবং ফ্যাসিবাদি দের নির্দেশে সে এলাকায় মাদক ছিনতাই চাদাবাজি সহ এই অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে এলাকার।
তাদের মূল কাজ অশান্তি তৈরি করাটাই।
টোকাই রাজু বাহিনীর মূলতো আওয়ামিলীগ এর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন জামাই রুবেলের নির্দেশ মতে
রনি ভূঁইয়া ও সুমন মীর এর বাহিনি এগুলো করেছেন এখানে উঠছে আসছে আরেক সাবেক এমপি মুরাদ জং এর নাম তার ও নির্দেশনা রয়েছে। ,,
এলাকাবাসী জানান টোকাই রাজুর মোল্লা বাজার , ন্যাশনাল স্কুলের গলি এবং লাকরির মাঠ সহ আশে পাশে ইয়াবা ব্যাবসাটা পুরোটাই রাজুরদখলে তিতাস রাজুর ম্যানেজার হয়ে এলাকায় তা পরিচালনা করছেন এখন রাজু সবচাইতে বড় মাদক ব্যাবসি , অন্য দিকে ডিক্সস আলামিন হলো স্কুল মাঠ এর সাইড টি দখলে রেখেছেন এখন দুই গ্রুপ তাদের আদিপত্যের জন্য মারামারি করে এলাকার শান্তি নষ্ট করছে ।
অন্যদিকে উঠে এসেছে শ্রমিক দলের নাম ব্যবহার করে চলা হাবীব গ্রুপ তিনি,বেরন তেতুলতলা এলাকায় মিলিয়ে অস্ত্র মহরা দেয় নিয়মিত। ,,ঐ এলাকায় হাবিবের সাথে বিএনপি এক নেতার ছেলে রিফাত ভূঁইয়া সাথে এলাকা নিয়ন্ত্রন নিয়ে মারা মারি লেগেই থাকে।
এরই মাঝে সুমন মীরের বাড়ীর সংলগ্ন থেকে সমুন মীর গ্রপের ১৪ জন কে গ্রেফতারে পুলিশ।
জামগড়ার ব্রকহিল সহ সুমনমীর বাড়ি সাইডটি এখন কোন প্রকার ঝামেলা নেই কারন সুমনের নিয়ন্তের মাদক কারবারী শিপন সহ অনেকে গ্রেফতার হয়েছে।,
এর মাঝেই উঠে আসে ভয়ংকর সন্ত্রাসী বাপ্পির নাম,
তার ছিলো মাদকের বড় সিন্ডিকেট কোম্পানি নামে পরিচিতি ছিল।
কিছু দিন পূর্বে মাদকের বড় চালান আটকের পর বাপ্পি ডিবি কে গুলিকরে পালিয়ে যায় তাকে ধরতে ডিবি পুলিশের অভিযান শুরু করে তাকে সহযোগী সহ যশোর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতার সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমানের ইয়াবা ৫ টি পিস্তল ১৫০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছিল ,বর্তমানে বাপ্পি গংদের জামগড়া এলাকার তাদের তেমন দেখাযায় না।বাপ্পি এখন জেলে নাকি বাহিরে তাও সঠিক খবর নেই , তবে বাপ্পি এখন জেল নেই এটা লোক মুখে শোনাযাচ্ছে । সে এখন কোথায় কার জানা নেই,
সুটার বাপ্পির মাদক ব্যাবসা নিয়ন্ত্রণ নিতে এখন রাজু , ডিএক্স আলামিন , শিপন হাবীব সহ কয়েক জনের দখলে।
মাদক ব্যবসা বেশি দখলে নিয়েছেন টোকাই রাজু,
বাপ্পির সেই মাদক ব্যবসা কি সে ফিরে পেতে চাইবে বা টোকাই রাজু মাদক সিন্ডিকেট ছেড়ে দিবে বা রনি ভুইয়ার ডিএক্স আলামিন ও কোন ছাড় দিবে,
নাকি সন্ত্রাসীরা আবারো,?কোন কৌশল অবলম্বন করতে যাচ্ছে ..
সেই মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিতেই চলছে দেশিয় অস্ত্র সহ আগ্নে অস্ত্রের মহড়া।
এলাকাবাসীর দাবী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টোকাই রাজু, নাহিদ,ডি এক্স আলামিন সোহাগ সহ সকল অপরাধীদের খুব দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসবে।
Leave a Reply