
রূপসায় আসামি ছিনিয়ে নিতে পুলিশের উপর হামলা,আহত ৮ আটক ১২।
রূপসায় এজাহারভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে ৮ পুলিশ সদস্য হামলার শিকার হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় উপজেলার রহিমনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় থানায় দায়েরকৃত মামলায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- রহিমনগর কাষ্টমঘাট এলাকার মহিদুল শেখ এর ছেলে মোঃ জহির শেখ (৩২), মেয়ে নওরিন সুলতানা ওরফে নার্গিস বেগম (৩২), নাসিমা বেগম (৪০), মৃতঃ কাশেম শেখ এর ছেলে মহিদুল শেখ মফিদুল (৬৫), আজিজ শেখ এর স্ত্রী তমা আফরোজ নিপা (২৫), সত্তার শেখ এর ছেলে ফারুক শেখ (৪৫), মৃত খন্দকার শরীফ উদ্দিনের ছেলে খন্দকার আফজাল উদ্দিন সোহেল (৪০), রহিমনগর গ্রামের মৃতঃ কাশেম আলী শেখ এর ছেলে মোঃ রশিদুল ইসলাম (৪৮), মোঃ মিজানুর রহমানের ছেলে মোঃ ইমরান (২৫), মৃতঃ মোশারেফ এর ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান (৪৮), সিংহেরচর গ্রামের মোঃ রবিউল হাওলাদারের ছেলে মোঃ নাইম ইসলাম (১৯), রামনগর গ্রামের মোঃ রশিদ শেখ এর স্ত্রী মোসাঃ নার্গিস খাতুন (৪০)।
রূপসা থানার এসআই মোঃ আশরাফুল আলমের দায়েরকৃত মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ রূপসা থানার হত্যা মামলার আসামি জহির শেখকে গ্রেপ্তার করতে রহিমনগর কাষ্টমঘাট এলাকার বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় জহিরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসার প্রস্তুতিকালে আসামির চিৎকার চেচামেচিতে আজিজ শেখ (৪৫), নাজমুল শেখ (২৪), আবিদ শেখ (২২), মহিদুল শেখ (৬৫), নাজমুল সাকিব (২৭), নার্গিস বেগম (২৬), নাসিমা বেগম (৪০), রুনা বেগম (২৫), তমা বেগম (২৫), রুপা বেগম (২৫), ফারুক (৪৫), খন্দকার আফজাল উদ্দিন (৪০) সহ অজ্ঞাতনামা ৫০/৬০ জন জহিরকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় আসামি মোঃ জহির শেখ এর ভাই বোন ও অন্যান্য আসামিরা আমাকে এবং সাথে থাকা এসআই নাজমুল হুদা, এসআই খোন্দকার ইমরান আলী, এএসআই আজাদ, এএসআই জাকির , পুলিশ কনস্টেবল মেহেদী, মোল্লা মোঃ জাহিদুর রহমান, মোঃ ফিরোজ হাসান, মোঃ শরিফুল ইসলামদেরকে আসামীরা এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করিয়া জখম করে। এ ঘটনার পর মঙ্গলবার রাতভর অভিযান চালিয়ে পুলিশ উল্লিখিত আসামিদের গ্রেপ্তার করে। এ ব্যাপারে থানা পুলিশের ওসি আবদুর রাজ্জাক মীর জানান, সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও কতিপয় দুষ্কৃতরা আসামিকে ছিনিয়ে নিতে ব্যাপক প্রচেষ্টা চালায় । এসময় পুলিশ বাধা প্রদান করলে আসামিরা পুলিশের উপরও হামলা চালায় । পরবর্তীতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয় । তিনি জানান আসামিদের কোর্ট প্রেরণ করা হয়েছে এবং ওই এলাকায় পুলিশী অভিযান অব্যাহত থাকবে ।
Leave a Reply