
*ঢাকার দোহারে গৃহবধূ হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো: ইসমাইল হোসেন (৩৬)’কে গ্রেফতার করেছে র্যাব|*
র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে| র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে অদ্যবধি মাদক, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, অপহরণকারী, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ ও প্রতারকচক্র গ্রেফতারে সদা তৎপর রয়েছে| যেখানেই মানবাধিকার লুণ্ঠিত হয়েছে, স্পর্শকাতর ঘটনা, নৃশংস হত্যা কান্ডে র্যাব তাৎক্ষণিকভাবে ভিকটিম অথবা নির্যাতিতার পাশে দাঁড়িয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে|
প্রবাসে একই কোম্পানীতে চকুরির সুবাদে আসামি মো: ইসমাইল হোসেন (৩৬) এর সাথে ভিকটিমের পরিচয় হয়| প্রায় ০৭ বছর পূর্বে ভিকটিমকে আসামি মো: ইসমাইল হোসেন দেশে পারিবারিক ভাবে বিবাহ করে| বিবাহের পর হতে বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মধ্যে দাম্পত্য জীবনে কলহ শুরু হয়| উক্ত কলহের জেরে আসামি মো: ইসমাইল হোসেন ভিকটিমকে বিভিন্ন সময় মারধর করত| ঘটনার একমাস পূর্বে ভিকটিম দেশে ফিরলে আসামি ইসমাইল হোসেনও দেশে ফিরে ভিকটিমের সাথে বিভিন্ন উপায়ে যোগাযোগের চেষ্টা করে| এরই প্রেক্ষিতে গত ১৪/০৩/২০২৬ তারিখ ভোর অনুমান ০৪.১০ ঘটিকার সময় আসামি ইসমাইল হোসেন ভিকটিমকে মোবাইল ফোনের মধ্যমে ঢাকা জেলার দোহার থানাধীন নয়াবাড়ী এলাকায় ভিকটিমের বাবার বসত বাড়ীর বাহিরে আসাতে বলে| পরবর্তীতে ভিকটিমের ডাক-চিৎকারে তার বাবা ঘরের বাহিরে এসে বাড়ীর টিউবওয়েল পাড়ে ভিকটিমকে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন| ভিকটিমের পরিবারের লোকজন তাৎক্ষণিক দোহার উপজেলা ¯^াস্থ্য কম্পেলেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিমকে মৃত ঘোষণা করেন|
ঘটনার পর ডিসিস্টের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা জেলার দোহার থানায় মামলা নং- ২৫, তারিখ- ১৬/০৩/২০২৬ খ্রি., ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড, ১৮৬০ অনুযায়ী একটি মামলা রুজু হয়| মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০, ঢাকা বরাবর অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন|
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ০৭/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৯:৪০ ঘটিকায় র্যাব-১০ এর সিপিসি-২ শ্রীণগর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় এবং র্যাব-১১ এর সহযোগীতায় নোয়খালী জেলার চরজব্বার এলাকা থেকে বর্ণিত হত্যা মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মো: ইসমাইল হোসেন (৩৬), পিতা- মো: গিয়াসউদ্দিন, সাং- গামছাখালী, থানা- হাতিয়া, জেলা- নোয়াখালী’কে গ্রেফতার করে|
গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে|
Leave a Reply