
ঢাকা জেলার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় ইস্টার্ন হাউজিং এর বিক্রিত যায়গা যৌথ মালিকদের কাছ থেকে বায়না করে হুমকির শিকার রেহেনা আক্তার ভূইয়া।
জামগড়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা রেহেনা ভূইয়া জানান
আশুলিয়ার নামকরা প্রপাটিজ ইস্টার্ন হাউজিং এর জমি আমি বায়না করি জৈনিক ব্যক্তি আতিকুর রহমান উজ্জ্বল,রোকসানা আক্তার, আনোয়ার হোসেন,কাছ থেকে। তাহারা ইস্টার্ন হাউজিং থেকে বায়না সূত্রে খরিদ করেন যাহার দাগ নং ১৯৫ আর এস খতিয়ান ৪১১ সি এস খতিয়ান ১৯৭ দিয়খালি মৌজা জমির পরিমান ১৩ শতাংশ যাহা জামগড়া এলাকায় অবস্থিত।
জামগড়া এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা বকুল ভুঁইয়ার স্ত্রী রেহেনা আক্তার আরো জানান উক্ত ১৩ শতাংশ জমি জৈনক ব্যক্তিদ্বয়ের কাছ থেকে গত ১৮/০১/২০২৫ ইং বায়না সূত্রে খরিদ করি। খরিদ করিয়া উক্ত বায়না কৃত জমি ও নির্মানধীন বাড়ীতে আমার সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেই। বায়নাকৃত জমি ও নির্মানধীন বাড়ীতে সাইনবোর্ড লাগানোর পর থেকে জৈনিক ব্যক্তি কাউসার আহমেদ বিভিন্ন প্রকার বাঁধা বিগ্ন সৃষ্টি করিতে থাকে।আমি কাউসার কে জানিয়ে দেই উক্ত জমি আমি বায়না করিয়াছি আপনি এখানে থাকতে হলে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতে পারবেন। সেসময় কাউসার আহমেদ প্রতিমাসে ভাড়ায় থাকায় কথা বললে আমি তাহাকে ভাড়াটিয়া হিসেবে রাখি।মাস শেষে আমার কেয়ার টেকার আবুল কালাম কাউসারের কাছে ভাড়া চাইতে গেলে তিনি ভাড়ার টাকা দিতে অস্বীকার করে এবং অনন্যানো ভাড়াটিয়ার ভাড়ার টাকা উঠাইতে আমার কেয়ার টেকার কে বাধা প্রদান সহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদান করে।
এখনো কোন প্রকার ভাড়া না দিয়ে উল্টো আমাদের ও আমার পরিবার কে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি প্রদান করে যাচ্ছে।
আমি দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল কাউসারের হুমকির বিষয়ে আমি আমার কেয়ারটেকার মো: আবুল কালাম কে দিয়ে হুমকির বিষয়ে গত ২৭/০৭/২০২৫ ইং কাউসারের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একটি জিডি করি।
আমি ন্যায় বিচার চেয়ে সকলের সহায়তা কামনা করছি।
উক্ত জমি সংক্রান্ত বিষয়ে ইস্টার্ন হাউজিং এর আশুলিয়া জোন ম্যানেজারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করিলে তিনি বলেন ঐ জমি অনেক আগে আতিকুর রহমান উজ্জ্বল ও আনোয়ার হোসেন, রোকসানা আক্তারের স্বামী মৃত সানোয়ার হোসেন মোল্লার নিকট হাউজিং কর্তপক্ষ বিক্রি করে। এখন তারা জমি কার কাছে বিক্রি করেছে এ বিষয়ে আমি অবগত নই।
এ বিষয়ে জানতে কাউসারের সাথে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
হুমকির বিষয়ে জিডি মূলে তদন্ত কর্মকতার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান জমিসংক্রান্ত বিষয়ে একটি জিডি হয়েছে তদন্ত চলছে উভয়পক্ষের কাগজপত্র দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাতে পারবো।
Leave a Reply