আশুলিয়ার পূর্ব জামগড়া এলাকায় মানবাধিকার কর্মী ও এডভোকেট পরিচয়ে প্রতারনা,সৌদি জেল থেকে আশিক(২৫) নামের যুবককে ছাড়িয়ে আনতে ১১ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ।
মোঃ সোহাগ আশুলিয়া —
আশুলিয়ার পূর্ব জামগড়া এলাকার আফাজ উদ্দিন আহমেদের বড় মেয়ে বিলকিস আক্তার বিয়ে হয় মানিকগঞ্জ জেলার সিংড়া উপজেলায়,খুব সাচ্ছন্দ্যে কাটছিলো সাংসারিক জীবন,এর ভিতর তার বড় সন্তান আশিক (২৫) ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সৌদি আরব পাড়ি জমান,সৌদি আরব গিয়ে আশিক একটি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে সৌদি কারগারে এবং সেদেশে তার সাজা হয় ১০ বছরের একথা শুনে, মা বিলকিস আক্তার পাগলপ্রায় হয়ে জামগড়া বাবার বাড়ী ছুটে আসে কান্নাকাটি করতে থাকা অবস্থায় প্রতারক শফিকুল ইসলাম সাগর নিজেকে মানবাধিকার কর্মী পরিচয় দিয়ে সৌদি থেকে আশিক কে ছাড়িয়ে আনার কথা বলে, সরল বিশ্বাসে বিলকিস আক্তার তার কথা বিশ্বাস করে সন্তান কে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে প্রতারকের কথা তিন মাসের ভিতর তার সন্তান কে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারবে তিনি সব কথা শুনে সরল বিশ্বাসে রাজি হয় তখনি আরেক প্রতারক এডভোকেট পরিচয় দিয়ে নিয়ে আসে সাগর তার নাম সোহেল শুরু হয় লেনদেন, ধাপে ধাপে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে বিকাশে নগদ হাতে হাতে প্রায় ১১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।
তিনমাস অতিবাহিত হলেও আশিকের কোন সন্ধান না পাওয়ায়,ভুক্তভোগী প্রতারকদের নিকট টাকা ফেরত চাওয়া শুরু করলে টালবাহানা শুরু করে এবং আংশিক টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে প্রতারক সাগর,তখন তার ৮ মাসের গর্ভবতি স্ত্রী কে বাড়িওয়ালার জিম্মায় রেখে এলাকা ত্যাগ করে মোবাইলে যোগাযোগ করে টাকা নিয়ে আসতেছি এই বলে ৫ দিন অতিবাহিত হলেও সাগরের কোন খোঁজ খবর না পেয়ে বাড়িওয়ালাও মহা বিপাকে পড়ে যায় গর্ভবতি মহিলা কে নিয়ে। অন্য দিকে গর্ভবতি মহিলা ৯৯৯ কল করে জানান তাকে আটকে রাখা হয়েছে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে তার কোন সত্যতা পায়নি তার স্বামীর অপেক্ষায় থাকতে চায় আবারও সাগরের স্ত্রী প্রবাস নিউজ নামের আইডি তে যোগাযোগ করে বলে তাকে আটকে রাখা হয়েছে পুলিশ তাকে উদ্ধার করেনি,বিষয়টি এবার লোকাল সাংবাদিকদের নজড়ে আসলে তারাও সেখানে পুলিশ নিয়ে গর্ভবতি মহিলা কে উদ্ধার করতে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আটকে রাখার কোন প্রমান পায়নি। আর্থিক লেনদেন কে আড়াল করতে বিভিন্ন ষরযন্ত্র করে স্বামী স্ত্রী দু জন মিলে। পরবর্তীতে মানবিক দিক বিবেচনা করে আশুলিয়া থানা পুলিশের হস্তক্ষেপ ও বাড়িওয়ালার সহায়তায় গর্ভবতি খাদিজা কে তার দেখানো মতে আত্মীয়ের কাছে পুলিশ বুঝিয়ে দেয়।
প্রতারক চক্রের প্রতারনার শিকার বিলকিস হতবাক হয়ে পড়েছে আদো ফেরত পাবে কি তার টাকা বা তার সন্তান কবে সরকারি সহায়তায় নিজ বাড়ীতে আসতে পারবে।
প্রশ্ন থাকলো সকল বিবেকবানদের কাছে।।।